লিয়েফ তল্স্তোয় ২৮ আগস্ট ১৮২৮ সালে রুশ । সাম্রাজ্যের তুলা প্রদেশের ইয়ায়া পলিয়ানা নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন পরিবারের চতুর্থ সন্তান। শিশু বয়সে তার বাবা-মা মারা যান এবং আত্মীয়স্বজনরাই তাঁকে বড় করেন। তাঁর স্ত্রীর নাম সােফিয়া বের্স এবং তিনি ছিলেন ১৪ জন। সন্তানসন্ততির জনক। তিনি উপন্যাস ছাড়াও নাটক, ছােটগল্প এবং প্রবন্ধ রচনায় ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁকে রুশ সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক, এমনকি বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। তাঁর দু’টি অনবদ্য উপন্যাস যুদ্ধ ও শান্তি (রচনাকাল ১৮৬৩-১৮৬৯) এবং আন্না কারেনিনা (রচনাকাল ১৮৭৩-১৮৭৭)। এছাড়াও তাঁর উল্লেখযােগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে : ইভান ইলিচের মৃত্যু, স্বর্গরাজ্য তােমার। মধ্যেই আছে এবং পুনরুত্থান। তিনি ১৯০২ থেকে ১৯০৬ পর্যন্ত প্রতি বছর সাহিত্যে নােবেল পুরস্কারের। জন্য একাধিকবার মনােনয়ন পেয়েছিলেন। ১৯০১, ১৯০২ এবং ১৯১০ শান্তিতে নােবেল পুরস্কারের জন্য মনােনীত হন এবং তাঁর পুরস্কার না পাওয়ার ঘটনাটি নােবেল পুরস্কার বিতর্কের একটি প্রধান কারণ ছিল।
১৯১০ সালের ২০ নভেম্বর রাশিয়ার আস্তাপভা নামক এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের রেলওয়ে স্টেশনে তস্তোয় অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং নিউমােনিয়াতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার মৃত্যুর পর তাঁর । ইচ্ছানুসারে ১৯২৮ ও ১৯৫৮ সালের মধ্যবর্তী সময়ে তল্স্তোয়ের সাহিত্যকর্ম ৯০ খণ্ডে তৎকালীন সােভিয়েত ইউনিয়নে প্রকাশিত হয়, যার অর্ধেকাংশ। তাঁর দিনলিপি ও চিঠিপত্র।